ঢাকা প্রতিনিধি: শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড আর সেই জাতিকে গড়ার কারিগড় হয়ে থাকেন শিক্ষকরা। কিন্তু দেশের কিছু কিছু শিক্ষকের ঘুষ, দুর্নীতি আর নারী কেলেঙ্কারির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ কলুষিত।

এমনই এক অঘটন ঘটনে পটিয়সী রাজধানীর খিলগাঁও মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: আসলাম উদ্দীন মোল্লা। ধরাকে স্বরা জ্ঞান না করে একের পর এক স্কুল ফাণ্ডের টাকা আত্মসাত করে চলেছেন এই শিক্ষক।

জানা যায়, এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনিয়ম, দুর্নীতি, তথ্য গোপন, সনদ জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাত এবং নারী কেলেঙ্কারির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তথাপিও স্বপ্রণোদিত হয়ে ছাত্র অভিভাবক এস এম কামাল হোসেন একাধিক বার যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করলেও অদ্যবধি কোন আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয় নাই। যতোবারই অভিযোগ করা হয়েছে ততোবারই তিনি ঘুষ দিয়ে কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেছেন।

সূত্রমতে জানা যায়, গত ১৬ মে ২০১৪ সালে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তার বিরুদ্ধে ১৩ টি অনিয়ম দুর্নীতির প্রমান পায়। সেখানে ৪১ লাখ ৫৫ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের উল্লেখ থাকলেও শিক্ষক আসলাম উদ্দীন ২৭ লাখ ৬৯ হাজার ৭৫৫ টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেন।

এছাড়াও বিল ভাউচারে স্বাক্ষর না থাকা, বি.এড সনদের প্রতিষ্ঠানের সঠিক তথ‌্য না থাকা, রেজুলেশন বইতে পৃষ্ঠা না থাকা, বিনা অনুমতিতে পাঁচটি কম্পিউটার নিজের বাসায় ব্যবহার করা, স্কুলের জায়গায় দোকান ভাড়ার কথা বলে অগ্রিম টাকা ঘুষ নেয়া এবং ৭ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে রবিউল নামে একজকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেন, যা তিনি একাই ভোগ করেন। এ ব্যতিত তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষক আসলাম উদ্দীন মোল্লা অত্যন্ত নারী লোভী বলে জানা যায়। তিনি ২১ বছরের বিবাহিত দুই সন্তানের জননীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে গোপনে ফুসলিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে তোলে এবং এক পর্যয়ে দুই সন্তানসহ জোর করে বিয়ে করেন। উল্লেখ্য, এই প্রধান শিক্ষক আসলাম উদ্দীন মোল্লার খুঁটির জোর কােথায়? এটাই এখন অভিভাবক ও স্কুলের সাথে সংশ্লিষ্ট সবারই ভাবার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।