স্টার্ফ রিপোর্টার: আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে রাষ্ট্র পক্ষের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এর আগে তিনি  ৪ সেপ্টেম্বর করোনা উপস্বর্গ (জ্বর ও গলা ব্যথা) নিয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হন।ওইদিনই করোনা পরীক্ষা করালে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। গত ১৮ই সেপ্টেম্বর মাহবুবে আলমের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে আইসিইউতে নেয়া হয়।

মাহবুবে আলম ১৯৭৫ সালে হাইকোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন। ১৯৯৮ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ১৯৯৩-৯৪ সালে বার কাউন্সিলের সম্পাদক ও ২০০৫-২০০৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এই আইন কর্মকর্তা। এরপর মৃত্যু অবধি ওই পদে ছিলেন তিনি এবং পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতে একাত্তরে মানবতাবিরোধী মতো অপরাধের মামলার বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে রাষ্ট্রপক্ষে জয় ছিনিয়ে এনেছেন মাহবুবে আলম।এছাড়া সংবিধানের পঞ্চম, সপ্তম, ত্রয়োদশ ও ষোড়শ সংশোধনী মামলা পরিচালনাও করেন তিনি।

উল্লেখ্য মাহবুবে আলম বাংলাদেশের ১৩তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন।