রাজধানীতে পৃথক স্থানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন যাত্রাবাড়ীতে নির্মাণশ্রমিক নয়ন হাওলাদা (৪৫), ডেমরায় সাকিবুর রহমান (৩৫), হাজারীবাগে থাইমিস্ত্রি বিশাল (১৭) ও মহাখালীতে গৃহবধূ ফরিদা বেগম (৪৫)।

রবিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, হাজারীবাগ ও মহাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, রবিবার সকালে যাত্রাবাড়ীর সুতিখাল পাড় নতুন রাস্তা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন নয়ন হাওলাদার। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নয়নের সহকর্মী বশির গণমাধ্যমকে জানান, নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় নয়ন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাজারীবাগ ঝাউচর এলাকায় একটি মাদ্রাসায় থাইগ্লাস লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বিশাল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিশালের চাচা মাসুদ গণমাধ্যমকে জানান, ওই এলাকায় একটি মাদ্রাসায় থাইয়ের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় মারা যায় বিশাল।এদিকে, রাজধানীর ডেমরায় নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন সাকিবুর রহমান নামে এক প্রকৌশলী। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

প্রকৌশলী সাকিবুর রহমানের ভাই ডা. আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, তিনতলার বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সাকিবুর। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মহাখালী টিভিগেট এলাকায় নিজ বাসায় ফরিদা বেগম (৪৫) নামে গৃহবধূর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাকেও হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওই গৃহবধূর স্বামী শওকত হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, টিভিগেট এলাকায় টিনসেট বাড়িতে তারা থাকেন। বিকেল ৪টার দিকে ওই বাসায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তার স্ত্রী। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, ময়নাতদন্তের মরদেহ চারটি মর্গে রাখা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।