স্টার্ফ রিপোর্টার: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) পদ্মাসেতু প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কথা বলেন।

এ সময় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন সেতু সচিব মো. বেলায়েত হোসেন, প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম এবং নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।

তিনি বলেন, মূল সেতুর কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ৩১টি বসানোর মাধ্যমে বর্তমানে সেতুর ৪ হাজার ৬৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। ৪২টি পিয়ারের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং নদী শাসনের কাজ প্রায় ৮৪ ভাগ শেষ হয়েছে। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে সংযোগ সড়ক ও টোল প্লাজার কাজও শেষ হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা হতে মাওয়া এবং পাচ্চর হতে ভাঙ্গা পর্যন্ত দেশের প্রথম দৃষ্টিনন্দন এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দিবেন।

তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়াদি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার, এ বিষয়ে সরকারের কোনো বক্তব্য নেই। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, সরকারের কোনো বক্তব্য থাকলে সরকারও নির্বাচন কমিশনকে জানাবে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে ভবিষ্যতেও সংবিধান অনুযায়ী সরকার সহযোগিতা করবে। এটা সরকারের সাংগঠনিক দায়িত্ব। আর নির্বাচন কমিশন গঠন একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে। এখানে সরকারর কোন হাত নেই। কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি গঠন করেন, যার মধ্যে বিএনপির প্রতিনিধিও ছিল। পরিবর্তনের সময় আসলেই রাষ্ট্রপতি যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনে বিএনপি সমর্থিত প্রতিনিধি আছে। বিএনপির আমলে কমিশন গঠনে কখনও আওয়ামী লীগের নাম নেয়া হয়নি। বিএনপি নির্বাচনে পরাজিত হলে বলে ভোট কারচুপি হয়েছে। আর জয়ী হলে বলে তারা আরও বেশি ভোটে জয়ী হতো। দু’মূখী নীতি আর বিরোধিতা করাই বিএনপির স্বভাব।