স্টার্ফ রিপোর্টার: মঙ্গলবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিভুক্ত ১২টি উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না। সংশ্লিষ্টদের অহেতুক কালক্ষেপণের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, যে সকল প্রকল্পে জমি সম্পৃক্ত সেগুলো বাস্তবায়নে জমি রেজিস্ট্রেশন করে কাজ শুরু করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, জনগণের চাহিদা বিবেচনায় সরকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন না করলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং প্রকল্পের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়। বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ দূর্যোগপ্রবণ এলাকা, এখানে সবসময়ই নানা দুর্যোগ মোকাবিলা করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে হয়। করোনার কারণে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল তা পুষিয়ে নিতে নব উদ্যমে কাজ করে যেতে হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু ও সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারী উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, সারাদেশে শিশু নিবাস ও সংশোধনাগারের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। এ সকল প্রতিষ্ঠানসমূহে ধারণক্ষমতার চেয়ে অধিক সংখ্যক নিবাসী রয়েছে।