তিমির চক্রবর্ত্তী: ব্রিটিশ আমলের ইতিহাসের চিহ্ন বহন করলেও রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় আসেনি জরাজীর্ণ দশার এই স্থাপনাটি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম (বকুল) বলেন, অনেক আগেই দেশ ছেড়েছে ইংরেজরা। কিন্তু এখনও তাদের শোষণের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে অনেক স্থাপনা। বাগাতিপাড়ার এই কুঠিবাড়িকে ঘিরে নীলকরদের অত্যাচার-নির্যাতনের নানা গল্প এখনও ফেরে লোকমুখে।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নীলকরদের ইতিহাস ধরে রাখতে কুঠিবাড়ি সংস্কারে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ব্রিটিশরা তাদের সুবিধার জন্য নওশেরা গ্রামে এনেছিল আদিবাসী ও পাঠানদের। সেই ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে তাদের বংশধররা।