জাতীয় সংসদে আজ কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২১সহ ৪টি বিল পাস করা হয়েছে।
উত্থাপিত অন্য বিলগুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট বিল, ২০২১, বাংলাদেশ মেডিকেল ডিগ্রিজ (রিপিল) বিল, ২০২১ ও বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ গভর্নিং বডিজ (রিপিল) বিল, ২০২১।
এ বিলের মধ্যে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২১ পাসের প্রস্তাব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বাকি ৩টি বিল পাসের প্রস্তাব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালিক।
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিলে বিজ্ঞান প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রাগ্রসর বিশ্বের সাথে সংগতি রক্ষা ও সমতা অর্জন, জাতীয় পর্যায়ে কৃষি বিজ্ঞানে উন্নত শিক্ষা প্রদান, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি শিক্ষা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় বিধান করা হয়েছে।
এছাড়া বিলে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, শিক্ষাদান পদ্ধতি, মঞ্জুরী কমিশনের দায়িত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবল কাঠামো, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, ডিন, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, পরিচালক নিয়োগ ও তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, একাডেমিক কাউন্সিল, ইনস্টিটিউট, বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল, কারিকুলাম কমিটি, অর্থ  কমিটি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি, শিক্ষক নিয়োগসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট বিলে বিদ্যমান ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিশু স্বাস্থ্য ইউনিটকে আইনী কাঠামোর আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় বিধান করা হয়।
বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ গভর্নিং বডিজ (রিপিল) বিল ও বাংলাদেশ মেডিকেল ডিগ্রিজ (রিপিল) বিল দু’টি বিদ্যমান বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের সাথে সাংঘর্ষিক বলে প্রত্যাহারের বিধান করা হয়েছে।
জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, মুজিবুল হক, পীর ফজলুর রহমান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপি’র হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন, রুমীন ফারহানা, গণফোরামের মোকাব্বির খান এবং স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু বিল ৪ টির ওপর পৃথকভাবে জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী আনলে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট বিলের ৩টি সংশোধনী প্রহণ করা হয়। বাকী প্রস্তাবগুলো কন্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়।