স্টার্ফ রিপোর্টার: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (২৩ সেপ্টেম্বর) বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বলেন, সরকারের দুর্নীতি সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাদের ব্যর্থতার কারণে স্বাস্থ্য খাত আজ ধ্বংস হয়ে গেছে। এই স্বাস্থ্য খাত এখন ইট সেলফ, করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভেন্টিলেশনে আছে। আর সরকারও এ রকম ভেন্টিলেশনেই আছে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের উদ্যোগে ‘মৎস্য খাতের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যতে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই সভায় সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মাহতাবের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব আবদুর রহিমের পরিচালনায় দলের নেতা অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, লুৎফর রহমান কাজল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মামুন চৌধুরী।

গয়েশ্বর বলেন, বাংলাদেশে ডাক্তারদের দুর্দিন আসতেছে। জনগণের মধ্যে একটা অনাস্থা আসছে। খালি ভিসা প্রক্রিয়াটা (ভারত) শুরু হতে দেন এবং ঢাকা-কলকাতা গাড়িটা চালু হতে দেন। দেখবেন কলকাতায় চিকিৎসা নিতে প্রতিদিন ২০ হাজার লোক চলে যাবে। বাংলাদেশের হাসপাতালগুলো পড়ে থাকবে, ডাক্তারদের চেম্বার খালি থাকবে- আপনি লিখে নেন আমার থেকে।

তিনি আরো বলেন, সংকট উত্তরণে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নাই। আমরা (নেতাকর্মীরা) শুধু পদ নিয়ে, কমিটি নিয়ে আর কথায় ব্যস্ত। আমরা পথে নামতে ব্যস্ত হই না বলেই কিন্তু সরকার এখনো আছে। কোমায় (ভেন্টিলেশন) থাকলেও সরকার আছে। এই কোমাটা (ভেন্টিলেশন) খোলার দায়িত্ব যদি আপনারা নিতে পারেন, তাহলে সরকার নাই। কর্মীদের পদ-পদবির দিকে না তাকিয়ে আন্দোলনের জন্য সবাইকে সংগঠিত হতে হবে।