পেলে বনাম ম্যারাডোনার মধ্যে কে সেরা, সেবিষয়ে তর্ক-বিতর্ক চিরকালের। একবার রোনালদো জানান যে, মেসির প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্যই তাঁর মাহাত্ম্য। সেই নিরিখে ম্যারাডনার মৃত্যুতে পেলে হারালেন ফুটবলের আঙিনায় তাঁকে অসামান্য করে তোলা চরম প্রতিদ্বন্দ্বীকে।

যদিও ব্যক্তিগত জীবনে এতে-অপরের প্রতি বৈরি মনোভাব পেলে-ম্যারাডনার কারও মধ্যেই ছিল না। একে অপরকে পরম বন্ধু বলেই সম্বোধন করতেন তাঁরা। খেলা ছাড়ার পর থেকে অনেক অনুষ্ঠানেই পেলে ও ম্যারাডোনাকে দেখা গিয়েছে একসঙ্গে। দুই কিংবদন্তির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছিল অগাধ।

স্বাভাবিকভাবেই ম্যারাডোনার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন পেলে। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির মৃত্যু নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় জানালেন যে, তিনি ইহকালের বন্ধুকে হারালেন।

যদিও পেলে ইচ্ছা প্রকাশ করেন যে, পরকালে নিশ্চই দুই বন্ধু পুনরায় একসঙ্গে ফুটবলে শট নিতে পারবেন। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ম্যারাডোনার মৃত্যু প্রসঙ্গে পেলে জানিয়েছেন, ‘আকাশের উপরে আমরা দু’জন অবশ্যই একদিন ফুটবলে শট নেব।’

আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা আজ হৃদরোগে  আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম খবরটি নিশ্চিত করেছে। এর আগে বেশ কয়েক দিন অসুস্থ ছিলেন তিনি।

তিগ্রে-তে নিজ বাসায় মারা যান ম্যারাডোনা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। গত মাসে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছিলেন ম্যারাডোনা। বুয়েনস এইরেসের হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। মস্তিষ্কে জমাট বেঁধে থাকা রক্ত (ক্লট) অপসারণ করা হয়েছিল।