তিমির চক্রবর্ত্তী: আজ (৭ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৯ সালের এই দিনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে টানা তিন মেয়াদে বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে এক যুগ পূর্তি করলো।

পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথ ধরেই তার কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন উন্নয়নের মহাসোপানে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর সরকার গঠন করে শেখ হাসিনা বড় বড় মেঘা প্রকল্প হাতে নিয়ে একের পর এক বাস্তবায়ন করে চলেছেন। আর বর্তমানে সেইসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সারা দেশে দ্রুত গতিতে চলছে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ। শেখ হাসিনার পবর্ত সমান মনোবল আর ইস্পাতকঠিন সাহসিকতা নিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির মিথ্যা অপবাদে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে মতপার্থক্যের পর দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে, অসাধ্যকে সাধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন, তখন অনেকেই একে অবাস্তব বলে সমালোচনা করেছিলেন। দিনে দিনে সেই পদ্মা সেতু পূর্ণাঙ্গ রূপ পেতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে পদ্মা সেতুর সবগুলো স্প্যান বসানো সম্পন্ন করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। গত নভেম্বর পর্যন্ত পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ছিল ৮২ শতাংশ। আশা করা হচ্ছে ২০২২ সালের জুনের আগেই কাজ সমাপ্ত হবে। নভেম্বর পর্যন্ত পদ্মা সেতুতে রেললিঙ্ক প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি হয়েছে ২৮ শতাংশ। এছাড়া মেট্রোরেল, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও কর্ণফুলী টানেলের কাজ এগিয়ে চলেছে। এই চার মেগা প্রকল্প আগামী বছরের জুনের মধ্যে উদ্বোধন করা হবে।

করোনার মধ্যেও প্রতিটি ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়ছে বাংলাদেশ। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও দারুণ গতিতে আসছে রেমিট্যান্স। ২০২০ সালে ২ হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ (২১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। রিজার্ভের ক্ষেত্রেও রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ অবস্থান করছিল ৪৩ বিলিয়ন ডলার, যা ইতিহাসে এক রেকর্ড। গোটা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল আজ বাংলাদেশ। ষাটের দশক থেকে দেশের মানুষ পারমাণবিক বিদ্যুৎকন্দ্রের কথা শুনে এলেও বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎকন্দ্রের যুগে প্রবেশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে ২০১০ সালে। পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে ২০২৪ সালে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানির মতো বাংলাদেশের মানুষও যে মেট্রোরেলে চড়বে, সেই স্বপ্নও পূরণ হতে চলেছে। কক্সবাজারের মাতারবাড়ী ১২০০ মেঘাওয়ার্ড বিদ্যুৎ প্রকল্প ও গভীর সমুদ্রবন্দর, পটুয়াখালীর পায়রায় তৃতীয় সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু টানেলের ৬১ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এই টানেল নির্মাণের ফলে চট্টগ্রাম শহর চীনের সাংহাই নদীর মতো ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ মডেলে গড়ে উঠবে।

চ্যালেঞ্জ নিয়েই যেমন বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন করে চলেছেন, তেমনই ভারতের সাথে ৬৮ বছরের অমীমাংসিত ছিটমহল সমস্যার সমাধান, বিশাল সমুদ্রসীমানা বিরোধেরও নিষ্পত্তি জয় করেছেন শেখ হাসিনা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে বুলেট ট্রেনে যাওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে বর্তমান সরকার। বুলেট ট্রেনটি চালু হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পৌঁছানো যাবে মাত্র ৫৫ মিনিটে। অর্থাৎ, ছয় ঘণ্টার জায়গায় সময় বাঁচবে পাঁচ ঘণ্টা। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে যেতে ঢাকা-মাওয়া চার লেনের সড়কটিও শেষ হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে।

২০০৯ সালে সরকার গঠন করে দেশের অর্থনীতি ছিল অনেকটাই ভঙ্গুর। তখন অবকাঠামো পরিস্থিতিও ছিল নাজুক। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য ঘাটতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগে ছিল মন্দাবস্থা। বিদ্যুৎ খাতের বেহাল দশা, গত এক যুগে ৬ হাজার মেগাওয়াট থেকে এখন ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতায় পৌঁছেছে দেশ। যা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ এখন বিদ্যুতের সুবিধা পাচ্ছে। অবকাঠামোর উন্নয়নের মতো বড় খাতগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশ পরিচালনা শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকার। এসব খাতে গত এক যুগে এসেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। এই সময়ে বদলে গেছে দেশের উন্নয়নের দৃশ্যপট। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আর সরকারের ধারাবাহিকতায় অর্থনীতিতে এসেছে ঈর্ষণীয় সাফল্য। মানুষের গড় আয়ু বেড়ে হয়েছে ৭২ বছর। মাথাপিছু গড় আয় বেড়ে হয়েছে প্রায় ২ হাজার ডলার।

শুধু তাই নয়, যোগাযোগব্যবস্থাকে সহজ করেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ময়মনসিংহ ফোর লেন মহাসড়ক। নবনির্মিত ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে সহজ করেছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলবাসীর চলাচল। ঢাকা ও চট্টগ্রামে নির্মিত ফ্লাইওভারগুলোরও সুফল পাচ্ছে দেশবাসী। কক্সবাজার থেকে টেকনাফে নির্মিত হয়েছে ৮০ কিলোমিটার দৃষ্টিনন্দন মেরিন ড্রাইভ। চট্টগ্রামে নির্মাণ হচ্ছে বে-টার্মিনাল। নবীনগর ডিইপিজেড-চন্দ্রা-যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, মিরপুর ফ্লাইওভার, হাতিরঝিল, হানিফ ফ্লাইওভার, মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার, কুড়িল ফ্লাইওভার, বনানী ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে। চলমান এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে সড়কপথে চাপ কমবে। এর মাধ্যমে যেমন যানজট কমবে, তেমন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণে জ্বালানি ও সময়- উভয়ই সাশ্রয় হবে। কমে আসবে পণ্য পরিবহন ব্যয়। ব্যাপক হারে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দেশজুড়ে করা হচ্ছে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল। প্রযুক্তিতে পরিবর্তন এনেছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। বেড়েছে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন। ফলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

ঢাকাসহ সারা দেশের রাস্তাঘাট, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোয় ধাবমান ঘোড়ার মতো উন্নয়ন কর্মকান্ড চলতে থাকে। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বৃহৎ প্রায় এক ডজন প্রকল্পের কাজ শুরু করে সরকার। ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনে শুরু হওয়া কভিড-১৯ মহামারী সারা বিশ্বকে তছনছ করে ২০২০ সালজুড়ে বিস্তৃতি লাভ করে। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও নেমে আসে বিপর্যয়। থেমে যায় সব ধরনের উন্নয়ন কর্মকান্ড। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দু-একটি প্রকল্পের কাজ চললেও সেগুলোয় নেই কাক্সিক্ষত গতি। গত জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু আবারও সচল করে সরকার। বিশ্বের অনেক শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ বিপর্যয় এড়াতে ব্যর্থ হলেও বাংলাদেশ মোটামুটি সফলই হয়েছে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারেও এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ, যা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থাও স্বীকৃতি দিয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে প্রায় টানা এক দশক ধারাবাহিকভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে ৫ শতাংশের বৃত্ত ভেঙে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায় শুরু করে বাংলাদেশ। সব শেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এরপর করোনা মহামরীতে সারা বিশ্বের প্রায় সব দেশই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি পেলেও বাংলাদেশ ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। আর চলতি অর্থবছর শেষে বাজেটের টার্গেট অনুযায়ী ৮ দশমিক ২ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অথচ ২০০৮ সালে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল মাত্র সাড়ে ৫ শতাংশ। ২০২২ সালের আগেই ডাবল ডিজিট (দুই অঙ্ক) প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইভাবে ২০০৯ সালে মাথাপিছু আয় ছিল ৭০৯ মার্কিন ডলার। এখন তা ১৯০০ ডলার অতিক্রম করেছে। সে সময় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার। এখন ৪৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। রপ্তানি ছিল ১০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯ সালে তা ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আগামীতে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।

অপরদিকে স্থায়ী কর্মসংস্থানে খুব একটা আশানুরূপ প্রবৃদ্ধি না হলেও অস্থায়ী কর্মসংস্থান, বিকল্প কর্মসংস্থান ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে কর্মক্ষম মানুষ আর শ্রমশক্তিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছে সরকার। গত এক যুগে দেশের প্রায় সব ক্ষেত্রেই উন্নয়ন হয়েছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ক্ষেত্র, অবকাঠামো, বিদ্যুৎসহ কয়েকটি খাতে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে।

 বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) কাজেও গতি ফিরেছে। ইতিমধ্যে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। গত মার্চে খুলে দেয়া হয়েছে ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েটির মূল অংশ। এ প্রকল্পের দ্বিতীয় অংশ তেঘরিয়া থেকে বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত ৩ কিলোমিটারের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ অংশের আড়াই কিলোমিটারই এলিভেটেড এবং বাকি অংশ সমতলভূমিতে নির্মিত। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা এগিয়ে যাবে আরেক ধাপ। ঝিলমিলবাসীও এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে পারবেন তেঘরিয়া থেকে। এ প্রকল্পের কাজও এ বছরের প্রথম প্রান্তিকেই শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালের কাজেও গতি ফিরেছে। করোনা মহামারীতে সাধারণ ছুটির সময় যেসব শ্রমিক ও টেকনিশিয়ান নিজ দেশে গিয়ে আটকা পড়েন, তার অধিকাংশই ফিরে এসে কাজে যোগ দিয়েছেন। জানা গেছে, বিশ্বের অত্যাধুনিক, দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরগুলোর সমতুল্য হবে শাহজালাল বিমানবন্দর। যেখানে থাকবে ইংল্যান্ডের হিথ্রো, সিঙ্গাপুরের চেঙ্গি কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডির মতো আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা। এ সবই সম্ভব হচ্ছে শেখ হাসিনার সদিচ্ছা ও সরকারের ধারাবাহিকতার কারণে। এটি যে কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্যই মঙ্গলকর।

উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশ যে আর্থসামাজিকভাবে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে তার একটা ইতিবাচক বার্তা দেবে এ টার্মিনাল। বিমানবন্দরে নেমেই বিদেশি বিনিয়োগকারী, পর্যটকসহ আগতদের মধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কে এক ধরনের ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করবে বলে মনে করে সরকার।

এছাড়াও বিগত বছরে বিএনপি সরকারের বন্ধ করা ১২ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা, বয়স্ক ভাতা চালু করা, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি, ২৬ হাজার রেজিষ্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয় করণ করা, প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ সরকারী করন করা, বিনামূল্যে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রতি বছর জানুয়ারির ১ তারিখ ৩২ কোটি বই বিতরন করা সহ দেশের এমন কোন খাত নেই যেখানে সরকারেরর উন্নয়নের ছােঁয়া লাগেনি।তাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে এভাবে উন্নয়ন হলে ২০৪১ সালে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ।